
সিকারি ডেস্ক:: প্রেমের ঘটনা কে কেন্ত্র করে, প্রেমিকার বিষপান, অতপর বিয়ের দাবিতে প্রেমিকা ২৫ দিন ধরে প্রেমিকের বাড়ীতে অবস্থান, প্রেমিক লাপাত্তা। এ ঘটনায় বালাগঞ্জে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। উপজেলা বালাগঞ্জ, বালাগঞ্জ ইউনিয়নের রাধাকোনা গ্রামের, চিত্ত রায় ও মহামায়া রায় এর পুত্র প্রদীপ রায় (২৪)। তার সাথে প্রেমের সর্ম্পক হয় একই উপজেলা ও পূর্ব পৈলনপুর ইউনিয়নের হামছাপুর গ্রামের গবিন্দ বিশ্বাস ও লক্ষী রানী বিশ্বাস এর কন্যা জলি রানী বিশ্বাস (২২) সঙ্গে। ৫ বোন ১ ভাই তার মধ্যে জলি সবার ছোট। সে কালিগঞ্জ এম ইলিয়াস আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেনী পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। অপর দিকে প্রদীপ ৪ ভাই মধ্যে সে বড়, সে এম সি কলেজে বিএ ৩য় বর্ষের ছাত্র। প্রদীপ-জলি’র প্রেমের সর্ম্পক ২০২২ সাল হতে। এ প্রতিনিধির সাথে জলির কথা হয় ১৬ মার্চ ২০২৬ইং রাধাকোনা গ্রামে প্রদীপ এর বাড়ীতে। জলি জানায় ৫ বছর ধরে আমাদের প্রেমের সর্ম্পক প্রদীপ লেখাপড়ার সহ অন্য ব্যায় এর জন্য সে আমার নিকট থেকে নানা ভাবে কল কৌশলে নিয়মিত টাকা নিয়েছে। আমার এবং আমার মায়ের স্বর্ন সহ আমার বাবার বয়স্ক ভাতার মোবাইলের সিম ও পিন নম্বার নিয়েছে, সে প্রতি মাসে টাকা উত্তোলন করছে। যা মোট টাকার পরিমান ২ লক্ষ হবে। আমাকে বিয়ের আশা¦াস দিয়ে একাধিক বার শারিরিক সর্ম্পক স্থাপন করেছে। বিয়ের জন্য চাপ দেই, সে বিয়ে করতে পারবেন জানালে ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং সুইজ গেইট এলাকায় আমাদের মধ্যে ঝগড়া হয়, আমি বিষ পান করি। সে আমাকে প্রথমে বালাগঞ্জ হাসপাতালে এবং পরে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেখানে চিকিৎসায় আমি সুস্থ্য হই। ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ইং আমি প্রদীপের বাড়ীতে চলে আসি। সে ও তার মা মহামায়া রায় বাড়ী থেকে লাপাত্তা হয়ে যায়। আজ ২৫ দিন হলো তার বাড়ীতে অবস্থান করছি। তার বাবা আমাকে ছেলের বউ সহ পাড়া প্রতিবেশীরা আমাকে গ্রহন করেছেন। তারা সবাই আমার সাথে ভালো ব্যবহার করছেন। প্রদীপের মা সহ আরো কয়েক জন আমাদের বিয়েতে বাধা হয়ে দাড়িয়েছেন। প্রদীপের জন্য আমার অর্থ, মান, সম্মান, ইজ্জত যেহেতু চলে গেছে, তাই আমি মৃত্যু পর্যন্ত তার বাড়ী ছাড়বো না। আমি চাই তার সাথে আমার সামাজিক ভাবে বিয়ে হউক। তার ভাই সুদীপ রায়, ও জেটাতো ভাই অরুন রায় সহ তার আত্নীয় স্বজন আমাকে বাড়ী থেকে চলে যাওয়া জন্য হুমকী দিচ্ছে। প্রদীপ রায় সর্ম্পকে জানা যায়, সে বালাগঞ্জ কলেজের এক ছাত্রী সহ মৌলভী বাজারে এক তরুনীর সাথে ও প্রেমের সর্ম্পক গড়ে অর্থ আদায় করেছে। গ্রামবাসী কাছে সে একটি লস্পট ছেলে হিসাবে পরিচিত। গ্রামের অনেক মেয়ে বিয়েবা পুর্জা অনুষ্টানে গ্রামে বেড়াতে আসা মেয়েদের সাথে সে প্রেমের সর্ম্পক গড়ে তুলতে চায়, না হলে সে তাদের সাথে খারাপ আচরন করে। সে বেকার, গ্রামের অনেকের নিকট থেকে টাকা কর্জ নিয়ে সে টাকা আর ফেরত দেয় না। গ্রাম বাসীর কাছে সে একজন ভাটপার হিসাবে পরিচিত। গ্রামের পঞ্চায়েত লোকজন জানান তার কর্মকান্ডে তাকে পঞ্চায়েত ছাড়া করা হয়েছে ১ বছর ধরে। ৮নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মাহবুব আলম তুহিন, বালাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আব্দুল মুনিম বিষয়টি অবগত হলে তারা উভয় পক্ষের সাথে কথা বলেন, কিন্ত প্রদীপ উপস্থিত না হওয়া বিষয়টির কোন সমাধান হয়নি। জলি রানী বিশ্বাস এর ভাই আনন্দ বিশ্বাস, বালাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও গ্রাম আদালত সভাপতি বরাবর একটি আবেদন করেছেন। যেখানে তিনি তার বোনের সামাজিক বিয়ে এবং নিরাপত্তার দাবী করেছেন।
বার্তা প্রেরকঃ শাহাব উদ্দিন শাহিন, বালাগঞ্জ প্রতিনিধি, ০১৭১৬১৩৮১৬০, তারিখঃ ১৬/৩/২০২৬ইং