• ৭ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

বিশ্বনাথে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ঘু*ষ নেওয়ার অ*ভিযোগ

sylhetcrimereport
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৫
বিশ্বনাথে পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ঘু*ষ নেওয়ার অ*ভিযোগ

সংগৃহিত

সিকারি ডেস্ক::   সিলেট জেলা পুলিশের বিশ্বনাথ থানার এসআই অনিক বড়ুয়ার বিরুদ্ধে ৩০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ এনে সিলেটের পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন এক মামলার বাদী।

অভিযোগকারীর নাম শিল্পী বেগম (২৫)। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) তিনি অভিযোগটি দায়ের করেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বনাথ উপজেলা খাজাঞ্চি ইউনিয়নের গনাই ঘর গ্রামের সুন্দর আলী স্ত্রী শিল্পী বেগম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন এবং আদালত মামলাটি তদন্ত করতে বিশ্বনাথ থানাকে নির্দেশ দেন। সেই প্রেক্ষিতে তদন্তের দায়িত্ব পান বিশ্বনাথ থানার এসআই অনিক বড়ুয়া। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য ইতোমধ্যে বাদী এসআই অণিক বড়ুয়াকে ৩০ হাজার টাকা দেন। ৩০ হাজার টাকা নেওয়ার পরও প্রতিবেদন না দিয়ে আরও ১০ হাজার টাকা দাবি করেন ওই এসআই। টাকা না দিলে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে প্রেরণ করবেন না- এমনটি জানালে বাদী প্রতিকার চেয়ে পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগটি দায়ের করেন। এ ছাড়া তিনি মামলার তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণের ব্যবস্থা ও এসআই অনিকের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানান।

এ ব্যাপারে অভিযোগকারী শিল্পী বেগম বলেন, আমার ভাসুরের পরিবারের সাথে গত ২ জুলাই পারিবারিক দেন-দরবার ও মারামারির ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে গত ১০ জুলাই ৪ জনকে অভিযুক্ত করে বিশ্বনাথ থানায় অভিযোগ দাখিল করি। থানার পুলিশ অভিযোগ না নিয়ে এটি সাধারণ ডায়েরিভুক্ত করে (জিডি নং ৪৬৬)। এরপর তদন্তের জন্য সিলেটের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩য় আদালতে পুলিশ আবেদন করে। আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। তদন্তের দায়িত্ব পান এসআই অনিক। তদন্ত করতে এসে তিনি আমার কাছে টাকা দাবি করেন। আমি তাকে ৩০ হাজার টাকা দেই। এরপর তিনি আরও ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। আমি বাড়তি ১০ হাজার টাকা না দেওয়ায় তিনি প্রতিবেদন দাখিল করেননি।

ঘুষ গ্রহণের অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত এসআই অনিক বড়ুয়ার বক্তব্যের জন্য কয়েকবার থানায় গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। পরে তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

বিশ্বনাথ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী বলেন, এসআই অনিকের ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি আমি অবগত নই। পুলিশ সুপার বরাবরে দেয়া অভিযোগের কোনো কাগজপত্র পাইনি। সেগুলো পেলে উপযুক্ত প্রমাণাদিসহ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।