
সিকারি ডেস্ক:: পবিত্র ঈদুল আজহা সামনেই। স্থায়ী অস্থায়ী সবধরনের হাটে দিনদিন ক্রেতাদের ভিড় বাড়তে শুরু করেছে। এদিকে আবার এসময়ে এসে অস্থায়ী পশুর হাটের ইজাদারদের মনে জাগছে নানান আশঙ্কা। শেষ পর্যন্ত তাদের ব্যবসা হবেতো? নাকি অন্যান্য বছরের মতো এখানো সেখানে অলিতে গলিতে বসবে পশুর হাট?
তবে তাদের এসব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার মো. আব্দুল কুদ্দুছ চৌধুরী পিপিএম।
গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি পরিস্কার বলেছেন, সিলেট মহানগর এলাকায় এবার স্থায়ী একটি আর অস্থায়ী ৫টি- এই ৬টির বেশি কোনো পশুর হাট বসতে দেওয়া হবেনা।
তার এমন বক্তব্যে অনুমোদনহীন অস্থায়ী পশুর হাট বসিয়ে যারা অবৈধ আয়ের ধান্দা করেন তারা নিশ্চয়ই নড়ে চড়ে বসছেন।
এদিকে আবার সচেতন মহলের একাংশের মন্তব্য অন্যরকম। তারা বলছেন, ফি বছরইতো এমন ঘোষণা দেওয়া হয়। ঈদের দু’একদিন আগে আবার নগরীর যত্রতত্র প্রকাশ্যে পশুর হাট বসলেও কেউ কোনো টু শব্দও করেনা।
উল্লেখ্য, সিলেট মহানগরীর স্থায়ী পশুর হাট কাজিরবাজারের পাশাপাশি এবার সিলেট সিটি কর্পোরেশন ৫টি অস্থায়ী হাট ইজারা দিয়েছে। সেগুলো হচ্ছে, দক্ষিণ সুরমা কেন্দ্রীয় ট্রাক টার্মিনাল সংলগ্ন ফাঁকা মাঠ, নতুন টুকেরবাজার তেমুখী সংলগ্ন খালি জায়গা, শহরতলীর মিরাপাড়ায় আব্দুল লতিফ প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন খালি মাঠ, শাহপরান বাজার সংলগ্ন খালি জায়গা এবং সিসিকের মালিকানাধীন তেতলীর এসফল্ট মাঠ।