• ২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

রাতারগুলের মটরঘাটকে টেন্ডারের আওতায় এনে পুনরায় দরপত্র আহ্বানের দাবি এলাকাবাসীর

sylhetcrimereport
প্রকাশিত জুন ২৮, ২০২৬
রাতারগুলের মটরঘাটকে টেন্ডারের আওতায় এনে পুনরায় দরপত্র আহ্বানের দাবি এলাকাবাসীর

সিকারি ডেস্ক:: সিলেটের ঐতিহ্যবাহী রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট এলাকার মটরঘাটকে পার্কিং দরপত্রের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করে তিনটি ঘাট একসঙ্গে পুনরায় টেন্ডার দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
সম্প্রতি সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর রাতারগুল গ্রাম ও সোয়াম্প ফরেস্ট সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে এই সংক্রান্ত একটি লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী, মাঝি এবং সর্বস্তরের জনসাধারণের স্বাক্ষরিত এই আবেদনে মটরঘাটকে বাদ দিয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করায় তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে।

রোববার (২৮ জুন) সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেন রাতারগুল এলাকাবাসী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন এবং আবেদনে সাক্ষর করেন মাওলানা আব্দুল করিম শিকদার, সোনা মিয়া, হারিস মিয়া, ফখরুল ইসলাম, খালেদ আহমদ, ইমরান আলী, বিলাল আহমদ, সৈয়দ মিয়া, আবুল হোসেন, সাবউদ্দিন, সুফিয়ান ও মাজহারুল।

আবেদন সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ জুন বন বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত এক দরপত্র বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে চৌরঙ্গীঘাট ও রাতারগুল মাঝেরঘাট গাড়ি পার্কিংয়ের জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। তবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ‘মটরঘাট’ অংশটিকে এই দরপত্রের আওতাভুক্ত করা হয়নি। এলাকাবাসীর অভিযোগ, মটরঘাটকে টেন্ডার প্রক্রিয়ার বাইরে রাখায় এলাকার কয়েক হাজার উপকারভোগী চরম অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হবেন।

আবেদনে উল্লেখ করা হয়, চৌরঙ্গীঘাট ও রাতারগুল ঘাটে পার্কিং চার্জ বলবৎ থাকলে পর্যটকদের গাড়ি চালকরা পার্কিং ফি এড়াতে মটরঘাটের দিকে ঝুঁকে পড়বেন। এর ফলে চৌরঙ্গীঘাট ও রাতারগুলঘাট পর্যটকশূন্য হয়ে পড়বে এবং এই অঞ্চলের শত শত নৌকার মাঝি ও ব্যবসায়ী তাদের রুজি-রোজগার হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হবেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, এই অসম টেন্ডার ব্যবস্থার কারণে এলাকার আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি ঘটতে পারে। ঘাটগুলোর মধ্যে পর্যটক ও যানবাহন ভেড়ানোর বিষয়টিকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মাঝে অসন্তোষ, ক্ষোভ এবং মারামারির মতো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটার সমূহ সম্ভাবনা রয়েছে।
এই উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসন এবং স্থানীয় কর্মসংস্থান সুরক্ষার লক্ষ্যে চৌরঙ্গীঘাট ও রাতারগুল মাঝেরঘাটের মতো মটরঘাট পার্কিংকেও একই দরপত্রের আওতাভুক্ত করে পুনরায় সুষম টেন্ডার আহ্বান করতে সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তার প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী।