
নিজস্ব প্রতিবেদক:: ১৭ বছর বয়সেই যুক্তরাজ্যে ক্যাডেট পাইলট মূল্যায়নে প্রায় ২ হাজার ২০০ প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে চমক দেখিয়েছেন সিলেটের জকিগঞ্জের তরুণ মুর্তজা আল সানী। তাঁর এই সাফল্যে গর্বিত পরিবার ও এলাকাবাসী। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর এই অর্জন দেশের তরুণ প্রজন্মকে স্বপ্নপূরণে অনুপ্রাণিত করবে।
মুর্তজা আল সানী সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার ৮ নম্বর কসকনকপুর ইউনিয়নের মুন্সিবাজার এলাকার নিয়াগুল গ্রামের সাব্বির দম্পতির সন্তান। অল্প বয়স থেকেই বিমান চালক হওয়ার স্বপ্ন লালন করে আসছেন তিনি। সেই স্বপ্ন পূরণের পথে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে গত ৮ সেপ্টেম্বর সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অনুমোদিত নেক্সট এয়ার লিমিটেডের আওতায় অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতামূলক মূল্যায়নে ক্যাডেট পাইলট হিসেবে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন সানী।
মেধাবি এই তরুণের প্রতিভা শুধু এভিয়েশন খাতেই নয়, প্রাতিষ্ঠানিক ও দ্বীনি শিক্ষাতেও সে অসাধারণ মেধার সাক্ষর রেখে চলছেন। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যের একটি নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় হতে সফলতার সাথে এ-লেভেল সম্পন্ন করছেন। পাশাপাশি দ্বীনি জ্ঞান অর্জনে সিহাহ সিত্তার অন্যতম প্রধান কিতাব ‘বোখারি শরীফ’-এর গভীর জ্ঞান সমৃদ্ধ লেখাপড়াও সমানতালে চালিয়ে যাচ্ছেন।
মুর্তজা আল সানীর পিতা মোঃ সাব্বির আহমদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত আছেন।
সানীর এই অসামান্য ও গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যে তাঁর পরিবার যেমন অত্যন্ত গর্বিত, তেমনি নিজ গ্রাম নিয়াগুলসহ পুরো জকিগঞ্জ উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে বইছে আনন্দের জোয়ার। স্থানীয়রা মনে করছেন, সানীর এই অর্জন দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক দারুণ অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।এভিয়েশন খাতের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক ও দ্বীনি শিক্ষায়ও আগ্রহ রয়েছে মেধাবী এই তরুণের। বর্তমানে তিনি যুক্তরাজ্যের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে এ-লেভেল সম্পন্ন করছেন। পাশাপাশি দ্বীনি জ্ঞান অর্জনের অংশ হিসেবে ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ হাদিসগ্রন্থ সহিহ বুখারি অধ্যয়ন করছেন।
মুর্তজা আল সানীর এই সাফল্যে তাঁর পরিবার যেমন গর্বিত, তেমনি আনন্দিত নিজ গ্রাম নিয়াগুলসহ জকিগঞ্জ উপজেলার মানুষ। স্থানীয়দের মতে, অল্প বয়সে তাঁর এই অর্জন তরুণ প্রজন্মের সামনে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। অধ্যবসায়, মেধা ও দৃঢ় সংকল্প থাকলে লক্ষ্য অর্জনের পথে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব—মুর্তজা আল সানীর সাফল্য সেই অনুপ্রেরণাই জোগাচ্ছে।