গোয়াইনঘাটে মামলা রেকর্ডের পর আসামি গ্রেফতার: অপপ্রচারের শিকার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হামিদুর রহমান

sylhetcrimereport
প্রকাশিত July 16, 2026
গোয়াইনঘাটে মামলা রেকর্ডের পর আসামি গ্রেফতার: অপপ্রচারের শিকার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হামিদুর রহমান

সিকারি ডেস্ক:: সিলেটের গোয়াইনঘাট থানায় একটি মারামারি ও ছিনতাইয়ের মামলা রেকর্ড হওয়ার পর এজাহারনামীয় আসামি কামালকে গ্রেফতার করে চরম অপপ্রচারের শিকার হচ্ছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (আইও) এসআই হামিদুর রহমান। একটি স্বার্থান্বেষী মহল ও কতিপয় ভূঁইফোড় মিডিয়া প্রকৃত ঘটনাকে আড়াল করে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, গত ১৩ জুলাই রাতে গোয়াইনঘাট থানাধীন ২নং পশ্চিম জাফলং ইউনিয়নের হাজিরপুর বাজারের পিয়াইন নদী সংলগ্ন কাঁচা রাস্তার ওপর বালু ব্যবসায়ী ফয়সল উদ্দিনের ওপর পূর্ব পরিকল্পিতভাবে হামলার ঘটনা ঘটে। হামলায় ফয়সল উদ্দিন গুরুতর আহত হন এবং তার কাছ থেকে নগদ ৫ লক্ষ টাকা, মোটরসাইকেল ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

এই ঘটনায় আহত ব্যবসায়ী ফয়সল উদ্দিন বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানায় শাহ আলম, কামাল উদ্দিন, ইকবাল হোসেন, আক্তার হোসেন, তৌহিদ মিয়া ও খোরশেদ মিয়াসহ অজ্ঞাতনামা ৫/৬ জনের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পরবর্তীতে ১৪ জুলাই  গোয়াইনঘাট থানায় মামলাটি রেকর্ড করা হয় (মামলা নং- ২৩)। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় এসআই হামিদুর রহমানকে।

আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হামিদুর রহমান অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় আসামি কামালকে গ্রেফতার করেন। কিন্তু আসামি গ্রেফতারের পর থেকেই একটি চক্র বিষয়টি ভিন্ন খাতে মোড় নেওয়ার চেষ্টা করছে। অপরাধীকে আড়াল করতে এবং পুলিশের মনোবল ভেঙে দিতে কতিপয় ভূঁইফোড় ও নামসর্বস্ব অনলাইন পোর্টালে তদন্তকারী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

এলাকার সচেতন মহল বলছেন, একজন পুলিশ কর্মকর্তা যখন পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করে আসামিকে আইনের আওতায় এনেছেন, তখন তার বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার অত্যন্ত দুঃখজনক। এটি মূলত তদন্ত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করার একটি অপকৌশল মাত্র। তারা এই অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা জানান এবং সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।