সিলেটে শিশু ফাহিমা ধ র্ষণ ও হ ত্যা মামলায় তিনজনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

sylhetcrimereport
প্রকাশিত July 21, 2026
সিলেটে শিশু ফাহিমা ধ র্ষণ ও হ ত্যা মামলায় তিনজনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ

সিকারি ডেস্ক:: সিলেটে চার বছরের শিশু ফাহিমা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় তিনজনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সিলেট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তাদের স্বাক্ষ্যগ্রহণ করেন।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, মামলার প্রধান আসামী জাকির হোসেনের ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি লিপিবদ্ধকারী ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম, সুরতহালের স্বাক্ষী জালালাবাদ থানার কনস্টেবল জোনাকী ও ফাহিমার লাশ গুমের চেষ্টায় ব্যবহৃত চাদর উদ্ধারের সময় উপস্থিত থাকা কামরুল ইসলামের স্বাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে। বিচারক স্বাক্ষ্যগ্রহণের পরবর্তী তারিখ ২৩ জুলাই ধার্য্য করেছেন। ওইদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকের স্বাক্ষ্য দেওয়ার কথা রয়েছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান মামলার অপর দুই আসামী জাকির হোসেনের ভাই জয়নাল ও কালাম গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পুলিশের গাফিলতির কারণে দুই আসামী অধরা। হত্যার পর লাশ গুমে সহায়তাকারী জাকিরের দুই ভাইকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান তিনি। চলতি মাসেই ফাহিমা হত্যা মামলার রায় হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ৬ মে সিলেট সদর উপজেলার কান্দিগাঁও ইউনিয়নের সোনাতলা গ্রামের দিনমজুর রাইসুল হকের চার বছর বয়সী মে ফাহিমা আক্তার নিখোঁজ হয়। দুদিন পর বাড়ির পাশের পুকুরপাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ১১ মে ফাহিমার প্রতিবেশি জাকির হোসেনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর জাকির ধর্ষনচেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে ফাহিমাকে হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টার কথা স্বীকার করে। তদন্ত শেষে পুলিশ জাকির হোসেন ও তার ভাই জয়নাল আহমদ ও আবুল কালামকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করে। চার্জশিটে জাকিরের বিরুদ্ধে ধর্ষন, হত্যা ও লাশ গুমের চেষ্টা এবং দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে লাশ গুম চেষ্টায় সহায়তার অভিযোগ আনা হয়।