• ১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

জমে উঠেছে ঈদের বাজার, মার্কেটে কেনাকাটায় বাড়ছে ভিড়

sylhetcrimereport
প্রকাশিত মার্চ ৯, ২০২৬
জমে উঠেছে ঈদের বাজার, মার্কেটে কেনাকাটায় বাড়ছে ভিড়

সংগৃহিত

রাজধানীর মার্কেটগুলোতে ঈদের কেনাকাটায় বাড়ছে ভিড়। ঢাকার প্রধান মার্কেটগুলোতে বেচাকেনা বেশে জমজমাট হয়ে উঠছে। তরুণ-তরুণীরা কিনছেন থ্রি-পিস, লেহেঙ্গা, শাড়ি কিংবা পাঞ্জাবি। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, এবারের ঈদে নারীদের প্রধান আকর্ষণ ফারসি পোশাক। মানভেদে চাহিদার তুঙ্গে থাকা এই পোশাক বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত।

রাজধানীর রাজধানীর নিউমার্কেট, গাউছিয়া, চাঁদনী চক, হকার্স ও নূরজাহান মার্কেটে ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ার মতো। ক্রেতাদের সুতি ও আরামদায়ক সিল্ক ত্রি-পিসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। খুব বেশি পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে বাহারি ডিজাইনের কুর্তি। আর প্রতিবছরের মতো এবারও ‘আভিজাত্যের প্রতীক’ হিসেবে শাড়ির বেচাকেনা বরাবরের মতোই ভালো।

মেয়েদের কেনাকাটার তালিকায় এবারও রয়েছে দেশি ও বিদেশি থ্রি-পিস। বাজারে দেশি থ্রি-পিস পাওয়া যাচ্ছে ৭৫০ টাকায়। তবে পাকিস্তানি থ্রি-পিসের দাম ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকা এবং ভারতীয় থ্রি-পিস ২ হাজার থেকে ৬ হাজার ৫০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। যারা সাশ্রয়ী কেনাকাটা খুঁজছেন, তাদের জন্য ‘কটন ওয়ার্ল্ডে’ তিনটি সুতি থ্রি-পিস পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ১ হাজার ২০০ টাকায়।

শাড়ির বাজারে এবার মিডিয়াম শাড়ি, কাতান ও পার্টি শাড়ির কদর সবচেয়ে বেশি। কাতান শাড়ির দাম ১ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত হলেও ২ থেকে ৫ হাজার টাকার শাড়ি সবচেয়ে বেশি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পার্টি শাড়ি মিলছে ২ থেকে ১৫ হাজার টাকায়। ব্লাউজের মধ্যে ‘জিমই চু’ এবং ‘মাল্টি কালার’ ব্লাউজ বেশি চলছে। মানভেদে এসবের দাম ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, শুরুতে বিক্রি কিছুটা কম থাকলেও এখন ক্রেতার ভিড় বাড়ছে। তবে চাহিদার শীর্ষে রয়েছে আমদানি করা পোশাক। বিক্রেতারা জানান, আমদানি কারণে কিছুটা দাম বাড়লেও গত বছরের চেয়ে অনেক কম।