
সিকারি ডেস্ক:: প্রায় ১৬ ঘণ্টা দুর্ভোগের পর অবশেষে সিলেটের পেট্রোল পাম্পগুলোতে ডাকা ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়েছে। বুধবার দুপুর দুইটায় জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে প্রশাসন ও রাজনিতিক নেতৃবন্দের সাথে বৈঠক শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিভাগীয় সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী। ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযানে জরিমানা আদায়ের প্রতিবাদসহ বিভিন্ন হয়রানির অভিযোগ এনে বুধবার রাত ১০টার দিকে সিলেট বিভাগের সব পেট্রোল পাম্প ও সিএনজি রিফুয়েলিং স্টেশনে ধর্মঘট আহ্বান করা হয়। ভোর রাত ৩ টার দিকে পেট্রেল পাম্প মালিক সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রিয়াসাদ আদনান ধর্মটে স্থগিতের ঘোষণা দিলেও তা মানেননি অন্য পাম্প মালিকরা। ফলে গত রাত থেকে বন্ধ ছিলো সিলেটের সবপোম্পে তেল ও গ্যাস বিক্রি। এতে দুর্ভোগে পড়েন চালক ও যাত্রীরা।সকালে সিলেটের প্রায় সবকটি পাম্পে গাড়ির দীর্ঘ লাইন দেখা যায়। ভোরে থেকে লাইনে দাড়িয়ে তেল ও গ্যাস না পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেক চালক। আচমকা ডাকা এ ধর্মঘটের যৌক্তিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন তারা। অনেক চালক ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও জ্বালানি সংগ্রহ করতে পারেননি।সমস্যা সমাধানে দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জ্বালানি তেল ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের সভাপতিত্বে সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেটের পুলিশ সুপার (এসপি) ড. যাবের সাদেক, মহানগর বিএনপির সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, সাধারণ সম্পাদক এমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ রাজনৈতিক নেতা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা অংশ নেন। বৈঠকে পেট্রোল পাম্প মালিক সংগঠনগুলোর শীর্ষ নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে উভয় পক্ষই নিজেদের অবস্থান তুলে ধরেন এবং চলমান সংকট নিরসনে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বিভাগীয় সভাপতি জুবায়ের আহমদ চৌধুরী ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে আগামীতে যেকোন সমস্যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের আশ্বাস দেন।